ইনসাইডার ডিস্ক, ০১ মে, ২০২৬

২০২৫ সালের জুন থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদের ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।সারাহ কুক বলেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। তবে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ঘটনার বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুশাসন জোরদারে যুক্তরাজ্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ লক্ষ্যে গত দেড় থেকে দুই বছর ধরে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত নেওয়া পদক্ষেপগুলো দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার আন্তরিকতার প্রমাণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।ব্রিটিশ হাইকমিশনার জানান, আগামী ২৩ ও ২৪ জুন লন্ডনের ল্যাঙ্কাস্টার হাউসে ‘ইলিসিট ফাইন্যান্স সামিট’ অনুষ্ঠিত হবে। এ সম্মেলনে অবৈধ অর্থপ্রবাহ প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার এবং সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে। বিভিন্ন দেশের সরকার, নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেবেন।তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব থাকবে এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সেখানে স্বাগত জানানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সম্মেলনে কালোটাকা প্রতিরোধ, পাচার চক্র ভেঙে দেওয়া, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার এবং আবাসন খাত, ক্রিপ্টো সম্পদ ও স্বর্ণ ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ পাচারের মতো আধুনিক কৌশল মোকাবিলায় গুরুত্ব দেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে ডিক্যাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েসও বক্তব্য দেন।