ইসলাম মানুষকে যেমন আখিরাতের সব বিষয়ের দিকনির্দেশনা দিয়েছে ।

ইসলাম মানুষকে যেমন আখিরাতের সব বিষয়ের দিকনির্দেশনা দিয়েছে,

ইসলাম মানুষকে যেমন আখিরাতের সব বিষয়ের দিকনির্দেশনা দিয়েছে, তেমনি দুনিয়ার সব বিষয়েও দিয়েছে ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা। তাই ইসলামের দৃষ্টিতে ভোটের গুরুত্ব অপরিসীম।

নেতৃত্বের গুরুত্ব বোঝাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন তিনজন ব্যক্তি কোনো সফরে বের হবে, তখন তারা যেন তাদের একজনকে আমির (নেতা) বানিয়ে নেয়।’ (আবু দাঊদ, হাদিস: ২৬০৯)

বিশ্ব নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নেতা হবেন জনগণের সেবক’। (মিশকাত আল মাসাবিহ, হাদিস: ৩,৯২৫) তিনি তার অনুসারীদের এভাবেই তৈরি করেছিলেন। ফলে প্রসাশনের বিভিন্ন স্তরে নিয়োজিত ব্যক্তিরা নিজেদের জনগণের সেবকের ভূমিকায় উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
নেতা নির্বাচনে মহানবী (সা.) কেবল যোগ্য ও বিশেষজ্ঞকে মনোনীত করতেন। এ ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতদুষ্ট অবস্থানকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। ক্ষমতা বা পদের জন্য লালায়িত ব্যক্তিকে নেতা নির্বাচন করতেন না।

তিনি বলেন, ‘আমি এই দায়িত্বপূর্ণ কাজে এমন কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ করব না, যে তা পাওয়ার জন্য প্রার্থী হবে; অথবা এমন কাউকেও নয়, যে তা পাওয়ার জন্য লালায়িত হবে’। (মুসলিম, হাদিস: ১,৮২৪)

কারণ হিসেবে নবীজি বলেন, ‘তুমি যদি চেয়ে নিয়ে তা লাভ করো, তাহলে তোমাকে ওই দায়িত্বের হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে। আর না চাইতেই যদি তা পাও তাহলে তুমি সে জন্য সাহায্যপ্রাপ্ত হবে’। (বুখারি, হাদিস: ৭,১৪৭; মুসলিম, হাদিস: ১,৬৫২)

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog