4 weeks ago
33 views

জুনে রপ্তানি আয়ে ২৫.৯১% প্রবৃদ্ধি, ৪২০ কোটি ডলার আয়; শীর্ষে তৈরি পোশাক খাত

ইনসাইডার ডিস্ক, ০৩ জুলাই, ২০২৬

চলতি বছরের জুন মাসে দেশের পণ্য রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক চাপের মধ্যেও বিভিন্ন রপ্তানি খাতের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে জুনে বাংলাদেশ রপ্তানি থেকে আয় করেছে ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪২০ কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালের একই মাসের ৩৩৪ কোটি ডলারের তুলনায় ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ বেশি।
তবে সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয় সামান্য কমেছে। অর্থবছরজুড়ে দেশের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলারের তুলনায় কিছুটা কম।
ইপিবির তথ্যমতে, মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ার মতো চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দেশের রপ্তানি খাত স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
খাতভিত্তিক হিসাবে, জুনে তৈরি পোশাক খাত থেকে আয় হয়েছে ৩৩৯ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে নিট পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ। পুরো অর্থবছরে এ খাত থেকে মোট আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ডলার।
এ ছাড়া জুন মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি ৪৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ, পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ, হোম টেক্সটাইল ৫৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ, প্রকৌশল পণ্য ৪৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং কৃষিপণ্যের রপ্তানি ৪৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশভিত্তিক বাজারে ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এ সময়ে দেশটিতে ৯০৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। জার্মানি ও যুক্তরাজ্য যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর আশা, পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.